Hybrid Corlla Seed - 5 gm
Hybrid করলা সিড - 5 gm
করলা একটি রুচিকর ও পুষ্টিকর গ্রীষ্মকালীন সবজি। করলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। এতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন। এ বিটা ক্যারোটিন চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে এবং চোখের নানা সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
এছাড়া করলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। এতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন সি, যা ত্বক ও চুল ভালো রাখে। এগুলো ছাড়াও করলায় আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফলিক এসিড, জিংক ও ফসফরাস। করলা পেটের পীড়া ও অন্যান্য অসুখ-বিসুখের জন্য উপকারী।
করলা রক্তের শর্করার পরিমাণ হ্রাস করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং রক্ত পরিষ্কার করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। করলা পাতার রস দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে এবং নানা ধরনের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
করলা পাতার রস মধুর সঙ্গে খেলে অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিসের মতো সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
মাটি : জল জমেনা এ ধরনের প্রায় সব রকমের মাটিতেই করলার চাষ করা যায়। তবে জৈব পদার্থযুক্ত দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি করলা চাষের জন্য বেশি উপযোগী।
জলবায়ু : বাংলাদেশের আবহাওয়া করলা চাষের জন্য উপযোগী। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করলা ভালো জন্মে। তবে ফুল আসার সময় অত্যাধিক বৃষ্টিপাতে ফল ধরা ব্যাহত হয়।
বীজ বপনের সময় : করলার বীজ বপনের উপযুক্ত সময় হলো ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস। তবে আগাম ফসলের জন্য ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে করলার বীজ বপন করা যায়।
বীজ বপন : করলার বীজের ত্বক শক্ত ও পুরু। তাই দ্রুত অঙ্কুরোদগমের জন্য বপনের আগে ৪৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি মাদায় ৩-৪টি করে বীজ ২ থেকে ৩ সেমি গভীরতায় বপন করে ঝুরঝুরে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। তবে মাদায় সরাসরি বীজ বপন না করে পলি ব্যাগে চারা তৈরি করে সেসব চারা মাদায়