Khesharir dal (2 kg)
খেসারির ডাল এক ধরণের হলুদ বর্ণ উদ্ভিজ্জ বীজ বা কালাই যা ডাল হিসাবে চিহ্নিত।খেসারির ডাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে প্রধান খাদ্যের অংশ।পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিভিন্ন রীতিতে খেসারির ডাল খেয়ে থাকে।বাংলাদেশে এটি শীতকালীন ফসল হিসেবে চাষ করা হয়। (২ কেজ
Name: Khesharir dal (খেসারির ডাল)
Size: 2 kg
Organic Online দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থা/এনজিও-র সাথে কাজ করে আসছে। পিকেএসএফ-এর কৃষি ইউনিটের তত্ত্বাবধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি খামারীদের উৎপাদিত নিরাপদ পণ্যসামগ্রী সঠিক নিরীক্ষণের মাধমে সংগ্রহ করা হয়।
খেসারির ডাল এক ধরণের হলুদ বর্ণ উদ্ভিজ্জ বীজ বা কালাই যা ডাল হিসাবে চিহ্নিত।খেসারির ডাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে প্রধান খাদ্যের অংশ।পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিভিন্ন রীতিতে খেসারির ডাল খেয়ে থাকে।বাংলাদেশে এটি শীতকালীন ফসল হিসেবে চাষ করা হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম খেসারি ডালে রয়েছে - খাদ্যশক্তি- ৩২৭ক্যালরি, আমিষ- ২২.৯গ্রাম, চর্বি- ০.৭গ্রাম, শর্করা- ৫৫.৭গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ৯০মিলিগ্রাম, ফসফরাস- ৩১৭মিলিগ্রাম, লোহা- ৬.৩মিলিগ্রাম।
খাবারটিতে চর্বি কম থাকে এবং প্রচুর পরিমানে খাদ্যশক্তি ও প্রোটিন আছে। এছাড়া খেসারিডাল-এ শতকরা প্রায়২০-২৩ভাগ আমিষ থাকে। এটি বিভিন্ন সংক্রমণ ব্যাধি রোধেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। খেসারি ডালে গিটের ব্যথা, অরুচি, মাড়ির ব্যথা দূর হয়।
হার্টকে দেয় সুরক্ষা এতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং ম্যাগনেসিয়াম আছে যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ফলিক অ্যাসিড ধমনীর প্রাচীরকে সুরক্ষা দেয় এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তের প্রবাহ বাড়ায়।
অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমায়
প্রতিকাপ ডাল নারী এবং পুরুষের উভয়ের শরীরের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় আয়রনের অভাব পূরণ করে।আয়রন শরীরের রক্তের কোষ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ায়।সেই সাথে অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে ডাল।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:
এতে সেলেনিয়াম নামক এমন এক উপাদান আছে, যা প্রদাহ রোধে সাহায্য করে।তাছাড়া খাবার টি টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে এবং ঘাতক টি কোষের উৎপাদন কমিয়ে আনতে অবদান রাখে।ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায় সহজে।তাই ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচতে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডাল রাখা উচিত।
মৃত্যু ঝুঁকি কমায়
এক কাপ ডাল ১৮গ্রাম চর্বিহীন প্রোটিন সরবরাহ করে।এটি প্রোটিনের উৎস এবং এতে কোন কোলেস্টেরল থাকেনা।ফলে নিয়মিত চর্বিহীন প্রোটিন খেলে ক্যান্সার এবং হার্টঅ্যাটাকের মতো রোগের হাত থেকে রক্ষা করে মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।