kuakata and barishal tour package
কুয়াকাটা এবং বরিশাল ভ্রমণ প্যাকেজ
একই যায়গা থেকে সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত এবং বরিশালের কিছু উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। এক কথায়, রোমাঞ্চকর ভ্রমণ!
২৯ মার্চঃ সন্ধ্যা ৭ টায় ষ্টীমারে আরোহন করে পরইচয় পর্ব। এবার ডেকে বিছানা পেতে মাতবো আড্ডায়। গল্প, কবিতা আর গানের সাথে চা-নাস্তাও চলবে।
৩০ মার্চঃ ভোরে বরিশাল নেমে নাস্তা সেরে বাস যোগে কুয়াকাটা। পথে ফেরী পারাপারের সময় বাস থেকে নেমে চারদিকটা দেখে নেয়া এবং খানিকটা হালকা খাবার সহ চা। সকাল ১০ টা নাগাদ কুয়াকাটা পৌঁছে হোটেলে চেকইন করে বেড়িয়ে পরবো সৈকতে। দুপুর ১ টায় হোটেলে ফিরে লাঞ্চ এবং বিশ্রাম। ৩ টায় বেরিয়ে স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ঘুরে দেখে সূর্যাস্ত দেখতে চলে যাবো সৈকতে। সন্ধার পর স্থানীয় মার্কেটে কেনাকাটা সেরে ৯ টায় শুরু হবে বার-বি-কিউ ও ক্যাম্প ফায়ার। ফানুস উড়িয়ে ভ্রমণটিকে স্মরণীয় করার ব্যাবস্থাও থাকবে। ডিনার সেরে জোছনার আলোয় সমুদ্রকে উপভোগ করতে আবারো যেতে পারেন সৈকতে। যতক্ষন ইচ্ছা থাকুন, কিন্তু ভোরবেলা সুর্যাস্ত দেখার কথা ভোলা যাবেনা।
৩১ মার্চঃ ভোরে অসম্পূর্ণ ঘুমের আড়মোড়া ভেঙ্গে ছুটে যাবো সুর্যাস্ত দেখতে। তারপর সমুদ্র পাড় ধরে হাটা। ধারনা মিলবে স্থানীয়দের জীবন-যাপন সম্পর্কে। ৮ টায় নাস্তা সেরে শেষ বারের মতো সমুদ্রের মুখ দর্শন, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা ও ফটোসেশন। ১১ টায় চেক আউট করে বরিশাল যাত্রা। বরিশাল পৌঁছে লাঞ্চ এবং অতঃপর বেড়িয়ে পরা। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কীর্তনখোলা'র পাড় ঘেঁষা মুক্তিযোদ্ধা পার্ক এবং দুর্গা সাগর দেখে সন্ধায় গুটিয়া মসজিদ প্রাঙ্গন। অন্ধকার নামতেই উপভোগ করবো গুটিয়া মসজিদের মনোমুগ্ধকর আলোকিত সৌন্দর্য। ৭ টায় সব কিছু নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ষ্টীমারে আরোহন। রাতের খাবার লঞ্চে।
১ এপ্রিলঃ রাতভর সফর করে ভোরে ক্লান্ত শরীরে ঘুমঘুম চোখে স্মৃতিগুলো সঙ্গে করে বিদায় নিয়ে যার যার বাড়ির পথে যাবার পালা।
আমরা দিবোঃ
২ দিন তিন বেলার খাবার
লঞ্চে চা-নাস্তা
বার-বি-কিউ
যাতায়াত (মেইন ডেক)
থাকা
সঙ্গে যা আনতে হবেঃ
বিছানার চাদর (ষ্টীমারে মেইন ডেকে বিছিয়ে বসা বা শোয়ার জন্য)
কেনাকাটা ও ব্যাক্তিগত খরচ
খরচঃ ৩৬০০ টাকা (জনপ্রতি)
উল্লেখ্যঃ অল্প খরচে অধিক উপভোগ্য ভ্রমণই আমাদের প্রধান লক্ষ্য, তাই আমরা ষ্টীমারে মেইন ডেকে যাবো এবং হোটেলে রুম শেয়ার করবো।
কেউ ষ্টীমারে কেবিন চাইলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা (জনপ্রতি) দিতে হবে