Radhuni pagol Rice (5 kg)
রাধুনি পাগল চাল (৫ কেজি)
Name: Radhunipagol Rice (রাধুনিপাগল চাল)
Size: 5 kg
Organic Online দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থা/এনজিও-র সাথে কাজ করে আসছে। পিকেএসএফ-এর কৃষি ইউনিটের তত্ত্বাবধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি খামারীদের উৎপাদিত নিরাপদ পণ্যসামগ্রী সঠিক নিরীক্ষণের মাধমে সংগ্রহ করা হয়।
রাধুনিপাগল সুগন্ধি চাল বিলুপ্তপ্রায় একটি সুগন্ধি ধান থেকে উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশের উত্তরাচ্চলে এ ধানের চাষ করা হয়ে থাকে। এ ধরণের সুগন্ধিধানের ফলন সম্পূর্ণ হতে ১৪০ থেকে ১৫৫ দিন সময় লাগে। উচ্চফলনশীল সুগন্ধিধান পেতে সময় লাগে ১২০ থেকে ১৫০ দিন।
এ ধান চাষে সার ও সেচ কম লাগে। পোকামাকড় রোগবালাই দ্বারা আক্রান্ত কম হয়। অর্থাৎ উৎপাদন খরচ কম। ধানগুলো যেহেতু প্রাকৃতিকভাবে এসেছে, সেহেতু হাইব্রিড ও উফশী জাতের চেয়ে বেশী স্বাস্থ্য সম্মত। এখনও দেশি জাতের চালের চাহিদা বেশী, দামও বেশী। ভাত খেতে বেশ স্বাদ এবং পুষ্টিকর। এ ধানের খড় মিঠা এবং নরম হবার জন্য গবাদিপশু বেশ পছন্দ করে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে এ ধান গ্রামীণ সমাজে আজও গুরুত্বপুর্ণ। এ ধান ঘরে এলে প্রথমে ক্ষীর অথবা খিচুড়ি রান্না করে বাড়ির আশে পাশের প্রতিবেশি মুরুব্বী ও ছেলে মেয়েদের দাওয়াত দিয়ে কৃষকরা খাওয়ান। এরপর মেয়ে-জামাই নাইয়রে এনে নানা রকমের পিঠা তেরি করে খাওয়ান এবং মেয়ে শ্বশুড়বাড়ি যাবার সময়ও বেঁধে দেয়া হয়।
স্থানীয় জাতের রাধুনিপাগল সুগন্ধি ধানে পুষ্টি বেশি থাকায় এর চালের ভাতে কৃষকদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তেমনি তারা কাজে বল পান। এছাড়া স্থানীয় জাতের চালে পুষ্টিমান বেশি থাকায় স্বাভাবিক ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
প্রতি হেক্টরে প্রায় আড়াই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার কেজি এবং ৫ থেকে ৬ হাজার কেজি খড় হয়। নয়াকৃষির একটি গবেষণায় দেখা গেছে চরম খরার সময়েও কালাবকরী ধান ২৫১১.৯৯ কেজি এবং খড় ৪৫৬৯.৩৫ কেজি ফলন হয়েছে। আমাদের এই চালটি সংগ্রহ করা হয়েছে দিনাজপুর থেকে।